নিজস্ব প্রতিবেদক
সরবরাহ বাড়ায় সবজির বাজারে অনেকটাই স্বস্তি ফিরেছে। একইসঙ্গে কমেছে সব ধরনের আলু, পেঁয়াজের দামও। তবে এসব পণ্যের দাম কমলেও বেড়েছে মুরগির মাংসের দাম। বিক্রেতারা বলছেন, নতুন বছরের আগমনকে কেন্দ্র করে মাংসের দাম ঊর্ধ্বমুখী।
অন্যদিকে দাম বাড়ানোর প্রায় তিন সপ্তাহ হয়ে গেলেও এখনো স্বাভাবিক হয়নি সয়াবিন তেলের বাজার। কোম্পানিগুলোকে অর্ডার দিয়েও তেল পাচ্ছেন না অভিযোগ করে বিক্রেতারা বলছেন, তাদের ঘোরানো হচ্ছে।
শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও, শাহজাহানপুরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
বাজারে ৩০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা, ৫০০ গ্রামের ইলিশ এক হাজার টাকা, শিং মাছ চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, প্রতি কেজি রুই মাছের দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, দেশি মাগুর মাছ ৮০০ থেকে এক হাজার টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙ্গাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়, চিংড়ি প্রতি কেজি ৭০০ থেকে ১১০০ টাকায়, বোয়াল মাছ প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায়, বড় কাতল ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকায়, পোয়া মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকায়, কই মাছ ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকায়, টেংরা মাছ ৫০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি মাছ ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায়, হাঁসের ডিম ২৪০ টাকায়, দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।
বয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৭০ টাকা কেজি, দেশি মুরগি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা।
গরুর মাংস কেজি ৭৫০ টাকা, খাসির মাংস কেজি ১২০০ টাকা, প্রতি পিস হাঁস বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৮৫০ থেকে এক হাজার টাকা, কবুতরের বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা হালি।