নিজস্ব প্রতিবেদক :
তরুণ আলেম প্রজন্মের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, যে সংবিধান ব্যবহার করে ফ্যাসিস্ট রেজিম জারি থেকেছে, বিপ্লবের পর সেই সংবিধান গুরুত্ব হারিয়েছে। বিপ্লব ছিল এই রেজিমকে প্রত্যাখ্যানের গণঘোষণা, যা সংবিধানের আওতায় ঘটেনি। ফলে বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশ এই সংবিধানের কর্তৃত্ব কবুল করবে কোন গণইচ্ছার বলে?
বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় রাজধানীর পল্টন টাওয়ারে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম মিলনায়তনে তরুণ আলেম প্রজন্মের উদ্যোগে সংবিধান সংস্কার: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তারা।
বক্তারা বলেন, বিদ্যমান সংবিধানের কর্তৃত্বের অর্থ হলো বিগত রেজিমকে জারি রাখা। এতে নাগরিকরা বরং প্রধানমন্ত্রী ও নির্বাহী বিভাগের প্রজা হয়ে আছেন। ফলে সংস্কারের গণদাবি বিপ্লবের মধ্যে প্রতিফলিত। তবে টেকসই সাংবিধানিক সংস্কারের স্বার্থে আমাদের সব গণপ্রতিনিধিত্বশীল পক্ষকে একটা ন্যূনতম ঐকমত্যে উপনীত হতে হবে। ন্যূনতম ঐকমত্য নিশ্চিত করেই সংস্কার সম্পন্ন হতে হবে।
এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা এহসানুল হক। প্রধান অতিথি ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব মাওলানা মন্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।
এছাড়া খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ড. মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সল, লেখক, কবি ও দার্শনিক মাওলানা মুসা আল হাফিজ, জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন, তরুণ আলেম প্রজন্মের সদস্য শেখ ফজলুল করীম মারুফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।