ক্রীড়া ডেস্ক
সেন্ট জর্জ’স পার্ক টেস্টে শ্রীলংকাকে ১০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে প্রোটিয়ারা।
স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে ৩৫৮ রানের জবাবে ৩২৮ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা। ৩০ রানের লিড পাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা দ্বিতীয় ইনিংসে ৩১৭ রানের পুঁজি পায়। অতিথিরা জয়ের জন্য ৩৪৮ রানের লক্ষ্যে ২৩৮ রানেই থেমে যায়।
টেবিলের শীর্ষে ওঠা প্রোটিয়ারা ১০ ম্যাচে ৬ জয় ও এক ড্রয়ে ৭৬ পয়েন্টসহ শতকরা ৬৬.৩৩ শতাংশ পয়েন্টে রয়েছে। অ্যাডিলেড টেস্টে ভারতকে হারিয়ে টেবিলে সবার উপরে উঠলেও এবার দুইয়ে নেমেছে অস্ট্রেলিয়া। ১৪ ম্যাচে ৯ জয় ও এক ড্রয়ে ঝুলিতে তারা ভরেছে ১০২ পয়েন্ট। অজিদের শতকরা পয়েন্ট ৬০.৭১ শতাংশ।
তিনে নেমে যাওয়া ভারতের শতকরা পয়েন্ট ৫৭.২৯ শতাংশ। ১৬ খেলায় ৯ জয় ও এক ড্রয়ে তাদের পয়েন্ট ১১০। শ্রীলংকা ১১ ম্যাচে ৫ জয়ে ৬০ পয়েন্টসহ শতকরা ৪৫.৪৫ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে আছে ৪ নম্বরে।
সোমবার (৯ ডিসেম্বর) টেস্টের পঞ্চম ও শেষ দিনে অতিথি দলের জয়ের জন্য দরকার ছিল ১৪৩ রান, হাতে ছিল ৫ উইকেট। ধনঞ্জয়া ডি সিলভা ও কুশল মেন্ডিসের জুটি তাদের জয়ের আশা দেখাচ্ছিল। ষষ্ঠ উইকেটে তাদের ৯৭ রানের জুটি ভাঙার পর নামে ব্যাটিং ধস। মাত্র ১৯ রান যোগ করতেই শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে বসে লঙ্কানরা। অধিনায়ক ধনঞ্জয়া ৫০ ও মেন্ডিস ৪৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট পান কেশব মহারাজ। প্রথম ইনিংসে পাঁচটিসহ ম্যাচে ৭ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন ডেন পিটারসন। ব্যাট হাতে ৮১.৭৫ গড়ে সর্বাধিক ৩২৭ রান করায় সিরিজসেরা টেম্বা বাভুমা।
এদিকে, টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ২০২৩-২৫ চক্রে ফাইনালের লড়াই থেকে আগেই ছিটকে যাওয়া ইংলিশরা ৪৫.২৪ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। ২১ ম্যাচে ১১ জয় ও এক ড্রয়ে তারা ১১৪ পয়েন্ট পেয়েছে। ১৩ ম্যাচে ৬ জয়ে নিউজিল্যান্ডের ঝুলিতে এখন ৬৯ পয়েন্ট। ষষ্ঠ স্থানে থাকা ব্ল্যাক ক্যাপসদের শতকরা পয়েন্ট ৪৪.২৩ শতাংশ।
পাকিস্তান রয়েছে সাত নম্বরে। ১০ খেলায় ৪ জয় ও ৬ পরাজয়ে তাদের পয়েন্ট ৪০। দলটির শতকরা পয়েন্ট ৩৩.৩৩ শতাংশ। জ্যামাইকা টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দারুণ জয়ের পর ১২ খেলায় ৪ জয়ে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে আটে বাংলাদেশ। দলটির শতকরা পয়েন্ট ৩১.২৫ শতাংশ।
ঘরের মাঠে সর্বশেষ টেস্ট হারায় টেবিলের তলানিতে চলে গেছে উইন্ডিজ। ১১ খেলায় ২ জয় ও ২ ড্রয়ে দলটি ৩২ পয়েন্টে রয়েছে। ক্যাবিরীয়দের পকেটে শতকরা ২৪.২৪ পয়েন্ট।