আফিফ-জাকের দলীয় একশর পর ফিরলেন

ক্রীড়া প্রতিবেদক ;
রানের গতি সচল থাকলেও স্কোরবোর্ডে বড় সংগ্রহ পাওয়া নিয়ে রয়েছে শঙ্কা। টপ অর্ডারের চার ব্যাটার সাজঘরে ফেরার পর দলকে টেনে নেয়ার চেষ্টায় ছিলেন আফিফ হোসেন ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছন্দে থাকলেও ইনিংস বড় করতে না পারা আফিফ ড্রেসিং রুমে ফিরে দলের বিপদ বাড়িয়েছেন। তাকে অনুসরণ করে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে বাইশ গজ ছাড়েন জাকের আলী অনিক।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা সফরকারীদের সংগ্রহ ২১ ওভারে ৬ উইকেটে ১০৪ রান। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৮ ও রিশাদ হোসেন শূন্য রানে ক্রিজে আছেন।

পঞ্চম উইকেটে আফিফ ও রিয়াদ ৩৬ রানের জুটি গড়েন। এরপর গুডাকেশ মোতির বলে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২০ রান করা আফিফ লং অফে শেরফানে রাদারফোর্ডের সহজ ক্যাচে পরিণত হন। এরপর মোতির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ৩ রানেই থেমে যান জাকের। রিভিউ নিয়েও তার শেষ রক্ষা হয়নি।

এর আগে দলীয় ২৬ রানের মাথায় সিলসের শিকার হয়ে ফেরেন সৌম্য সরকার। মিডল এবং অফের উপর করা ডেলিভারিতে সামনে এগিয়ে এসে অকারণে হাফ শট খেলেন সৌম্য। মিড অনে থাকা গুডাকেশ মোতি অনায়াসে বল তালুবন্দি করলে এই ওপেনার মাত্র ২ রান করেই মাঠ ছাড়েন।

জেডেন সিলসের অফ স্টাম্পের বাইরের ডেলিভারিটির লেন্থ বুঝতেই পারেননি লিটন দাস। পুল শট করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সংযোগ ঘটাতেই হন ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে এভিন লুইসের হাতে ধরা পড়ে নিজের উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন ৪ রান করা এই ব্যাটার।

ব্যাক অব লেন্থের বল মেহেদী হাসান মিরাজ খেলতে গেলে তার ব্যাটের কানায় লেগে স্টাম্পে আঘাত হানে। তাতে টাইগার অলরাউন্ডার মাত্র এক রানের বেশি করতে পারেননি।

খেলা মাঠে গড়ানোর পর থেকেই দারুণ স্বাচ্ছন্দ্যেই তানজিদ হাসান তামিম ব্যাট করছিলেন। বাইশ গজে মারমুখী ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে রানের গতি রাখছিলেন সচল। হাফ সেঞ্চুরির কাছাকাশি গিয়েও তা আদায়ে হলেন ব্যর্থ।

জাস্টিন গ্রিভসের শর্ট বলে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে সোজা শট খেলেন তানজিদ। সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা রোস্টন চেস অনায়াসেই ক্যাচ নেন। তাতেই থামে সফরকারীদের ওপেনারের ৩৩ বলে ৪টি চার ও ২ ছক্কায় ৪৬ রানের ইনিংস।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *