অর্থনীতি প্রতিবেদক :
আমদানি ও এলসি বিল পরিশোধ বেড়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে ভ্রমণও বেড়েছে। সব মিলিয়ে চাহিদার তুলনায় ডলারের জোগান কম। এই সুযোগে রেমিট্যান্সের ডলারের দাম ৬ থেকে ৮ টাকা বাড়িয়ে দিয়েছে বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউসগুলো। ফলে বিল পরিশোধের জন্য অনেক ব্যাংককে বাধ্য হয়ে ১২৬ থেকে ১২৭ টাকায় কিনতে হচ্ছে ডলার।
এ অবস্থায় ঊর্ধ্বমুখী দাম নিয়ন্ত্রণে ডলারের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এখন থেকে রেমিট্যান্সের ডলার কোনোভাবেই ১২৩ টাকার বেশি কেনা যাবে না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে রেমিট্যান্সের ডলারের এই মূল্য নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন টাকা বেশি। কারণ ডলারের আনুষ্ঠানিক দর ঘোষণা দেওয়া আছে ১২০ টাকা।
মঙ্গলবার এক বৈঠকের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে মৌখিকভাবে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
এর আগে, রোববার অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের জন্য ব্যাংকগুলো ১২০ টাকা ঘোষিত দরের চেয়ে ৮ থেকে ৯ টাকা বেশি দরে রেমিট্যান্স কিনেছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে খোলাবাজারেও। এর সুযোগ নিয়েছে কিছু অসাধু চক্র।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোববার ব্যাংকগুলো ডলার সংকটে রেমিট্যান্স কিনেছে সর্বোচ্চ ১২৮ টাকায়। যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত দর ১২০ টাকা। আর কার্ব মার্কেটে বা খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের দাম বেড়ে ১২৯ টাকায় পৌঁছায়। এক সপ্তাহ আগেও ছিল যা ছিল ১২৩ থেকে ১২৪ টাকা।
বিদেশি এক্সচেঞ্জ হাউস থেকে হঠাৎ বেশি দামে ডলার কেনায় ১৩টি ব্যাংক চিহ্নিত করে সম্প্রতি তাদের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই তালিকায় রাষ্ট্রীয় মালিকানার দুটি এবং বেসরকারি খাতের ১১টি ব্যাংক ছিল। এরপর কিছুটা কমে আসে ডলারের দাম। গত দুইদিনে কমে মঙ্গলবার রেমিট্যান্সের ডলার ১২৩ টাকা ৭০ পয়সায় নেমে আসে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বলা হয়েছে, রেমিট্যান্সের ডলার কোনোভাবেই ১২৩ টাকার বেশি কেনা যাবে না।