অনেকে ব‍্যবসা করছেন আমাকে পুঁজি করে : শাবনূর

বিনোদন ডেস্ক :
সামাজিক মাধ্যমে গতকাল ১২ জানুয়ারি বেশকিছু ছবি প্রকাশ করেন ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী শাবনূর। তবে সেসব ছবি সুখকর অনুভূতি এনে দিতে পারেনি এই সুপারস্টারকে। কেননা বিভিন্ন গ্রুপে ছবিগুলো সমালোচনায় মেতে ওঠেন নেটগরিকরা। কেউ অভিনেত্রীর পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কেউ করেন কটাক্ষ। এবার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী।

নেটিজেনদের উদ্দেশ্যে শাবনূর লিখেছেন, সবার উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলতে চাই, অনেকে হয়তো জানেন যে আমি আমার সোশ্যাল মিডিয়া নিজের মতো করে হ্যান্ডেল করি, এবং কোনো অ্যাডমিনও নিয়োগ দেইনি। আমার যখন যেটা ভালো লাগে, নিজের ব‍্যক্তিগত পছন্দ বা, বিশেষ কোনো আনন্দ বেদনার বিষয় থাকলে তা সবার সাথে শেয়ার করতে সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত রয়েছি। যে ছবি বা ভিডিও পোস্ট করি সেগুলো নিয়ে অনেকেই বিভিন্ন মন্তব্য করেন। এমনকি কেউ কেউ আমার ড্রেসআপ নিয়েও উদ্ভট প্রশ্ন তোলেন। অস্ট্রেলিয়াতে আমি সচরাচর ক্যাজুয়াল ড্রেস পরতেই অভ্যস্ত এবং এতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। আর কে কী পরবে সেটা তো তার ব্যক্তিগত পছন্দের ব্যাপার, তাই না!

এরপর লিখেছেন, যদি আমার শেয়ারকৃত কোনো কিছু কারও ভালো না লাগে তবে শালীনতার সঙ্গে গঠনমূলক সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু রিপিটেডলি আজেবাজে মন্তব্য যেন না করেন, তা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে বিনীত অনুরোধ করছি। আর একান্তই যদি আমার কার্যক্রম কারও পছন্দ না হয় তবে আমাকে ফলো না করলেই পারেন।

অভিনেত্রী লেখেন, যারা আমার ওয়ালে এসে বিরূপ মন্তব্য করেন তারা আবার দেখি আমার নামে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট খুলে, পেজ চালিয়ে, আমার পোষ্ট করা ছবি-ভিডিও নিয়ে আবার ব‍্যবসা করেন। আমাকে পুঁজি করে অনেকেই সামাজিক মাধ‍্যমে ভাইরাল হচ্ছেন, রমরমা ব‍্যবসা করছেন, তা করেন; কিন্তু আমার এখানে এসে ভণ্ডামি করছেন কেন? কেনইবা সংঘবদ্ধ হয়ে খারাপ মন্তব্য করে যাচ্ছেন? এদের আবার কেউ কেউ আমাকে আড়ালে চলে যেতে বলেন, হাহাহা। এই ডিজিটাল যুগে এসেও মানুষ এসব জ্ঞান দেয়। আমি আড়ালে চলে যাবো না প্রকাশ্যে থাকবো তা আমি বুঝবো।

সবশেষে তিনি লিখেছেন, অন‍্যের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি, আচার ব্যবহার, কথা বলার ভাষা; এসব ব‍্যাপারগুলো আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক শিক্ষার পরিচয় বহন করে। মন্তব্য করার ক্ষেত্রে আমরা যেনো একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। সবাই ভালো থাকবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *