স্পোর্টস ডেস্ক :
মৌসুমের এ পর্যায়ে এসে জমে ওঠেছে লা লিগা। টেবিলের এক নম্বরে থেকে গতকাল অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল রিয়াল মাদ্রিদ। ম্যাচের আগে এ দুই দলের পয়েন্ট ব্যবধান ছিল ১, ম্যাচ শেষেও একই ব্যবধানই আছে। পয়েন্ট টেবিলেও আসেনি কোনো পরিবর্তন, রিয়ালের পর দুইয়ে আছে অ্যাতলেতিকো।
গতকাল মাদ্রিদ ডার্বিতে রিয়াল-অ্যাতলেতিকোর ম্যাচটি হয়েছে ড্র। সান্তিয়াগো বার্নাব্যুতে নগর প্রতিদ্বন্দ্বীদের রক্ষণ ব্যূহ ভেদ করে একটির বেশি গোল আদায় করতে পারেনি লস ব্লাঙ্কোসরা। কিলিয়ান এমবাপের করা সেই গোলে সমতায় ফেরার পর আর লিড নিতে পারেনি স্বাগতিকরা।
রিয়ালের বিপক্ষে ম্যাচে গতকাল প্রথমে গোলের দেখা পেয়েছিল অ্যাতলেতিকোই। গোলটি এসেছিল পেনাল্টি থেকে। ম্যাচের ৩১ মিনিটের সময় নিজেদের বক্সে প্রতিপক্ষের সামুয়েল লিনোর পায়ে আঘাত করে বসেন রিয়ালের অরেলিয়ো চুয়ামেনি। যদিও পেনাল্টির এ সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক আছে বেশ। রেফারি প্রথমে সিদ্ধান্ত না দিলেও পরে ভিএআর এটিকে পেনাল্টি হিসেবে রায় দেয়।
খেলা চলার সময় ধারাভাষ্যকারও বলেছিলেন যে পেনাল্টির এ সিদ্ধান্ত বিতর্কিত। এদিকে দুই দলের ম্যাচটি ড্র হওয়ার পর রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে প্রশ্ন করা হয়েছিল পেনাল্টি নিয়ে। প্রথম উত্তর দিবেন না জানিয়ে আনচেলত্তি বলেন, “এটির উত্তর দেব না..।”
পরে অবশ্য নিজের অসন্তুষ্টির কথা ঠিকই জানিয়েছেন আনচেলত্তি। তিনি বলেন, “ভিএআর দেখে পেনাল্টির বাঁশি বাজানো হয়েছে। ঘটনার সময় রেফারি খুব কাছেই ছিল এবং এটি পরিষ্কার দেখেছে। আথলেতিক-জিরোনা ম্যাচেও আরেকটি পেনাল্টি দেখেছি আমি… ফুটবলের লোকেরাই এসব বুঝতে পারছে না।”
এদিকে আনচেলত্তি পেনাল্টি মানতে না পারলেও বেশ সন্তুষ অ্যাতলেতিকোর কোচ দিয়েগো সিমিওনে। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়, রেফারি সম্ভাব্য সেরা উপায়েই পরিস্থিতি সামলেছেন রেফারি। কারও কারও মতে তো, সেবায়োসের সরাসরি লাল কার্ড প্রাপ্য ছিল… অন্তত ভিএআর দেখতে পারতেন রেফারি… তবে অনেকে এখানেও দ্বিমত করবেন…।”