সাইফকে প্রশ্ন ছেলে তৈমুরের , বাবা তুমি কি মারা যাচ্ছ

বিনোদন ডেস্ক :
পরিবারকে রক্ষা করতে সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ান সাইফ আলী খান। লড়াই করেন হামলাকারীর সঙ্গে। এতে ছুরির ছয় কোপে আহত হতে হয় তাকে। সেসময় রক্তাক্ত সাইফকে দেখে ভড়কে যান কারিনা কাপুর। ৮ বছরের ছেলে তৈমুরও ঘাবড়ে যায়। সাইফ মারা যাচ্ছে কিনা তাই নিয়ে সংশয়ে পড়ে। বাবাকে প্রশ্নও করে সে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ভয়াবহ ওই ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সাইফ। তিনি বলেন,‘আমি বললাম, ব্যথা লাগছে। পিঠেও সমস্যা হচ্ছে। ও (কারিনা) বলল, তুমি হাসপাতলে যাও, আমি ছেলেদের নিয়ে বোনের (কারিশমা) বাড়ি চলে যাব। ও পাগলের মতো ফোন করছিল একে ওকে। কেউ ফোন তুলছিল না। এরপর ও অসহায়ের মতো তাকায় আমার দিকে। আমি শান্ত করতে বলি, ‘আমি ভালো আছি। আমি মরব না।’ এরপর তৈমুরও আমাকে প্রশ্ন করে, ‘আব্বা তুমি কি মরতে যাচ্ছ?’ আমি ওকেও বলি, ‘না’।’

ছেলেকে নিয়ে সাইফ আরও বলেন, ‘ও (তৈমুর) ভীষণ ঠান্ডা মাথায় ছিল। আমাকে বলল, ‘আমি তোমার সঙ্গে আসছি।’ আমারও তখন মনেএকটা ভয় কাজ করছিল, যদি কিছু হয়ে যায়… ওকে দেখে আসলে খুব শান্তি লাগছিল। আমিও একা হাসপাতালে যেতে চাইনি। আমার স্ত্রী জেনেই ওকে সঙ্গে পাঠিয়েছিল, ও কী করতে পারে। আমার তখন ভালো লাগছিল যে তৈমুর সঙ্গে যাচ্ছে। মনে হচ্ছিল ভগবান না করুন যদি কিছু হয়ে যায়… ও তো সঙ্গে থাকবে। আর ও নিজেও সেটা চাইছে। তখন আমরা ৩জনই হাসপাতালে চলে যাই, আমি, তৈমুর আর হরি, অটোয় চেপে।’

শুরুতে জানা গিয়েছিল সাইফের বড় ছেলে ইব্রাহিম আলী খান হাসপাতালে নিয়েছিলেন বাবাকে। পরে জানা যায় বিষয়টি সত্য না। কারিনা ও ছোট দুই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে যান সাইফ।

জনসম্মুখে সাইফ, ঘাড়ে ব্যান্ডেজ নিয়ে কোথায় গেলেন অভিনেতা?
১৬ জানুয়ারি হামলার দিন রাত ২টার দিকে সাইফের বাড়িতে হানা দেন দুষ্কৃতিকারী শরীফুল। ছুরি দিয়ে একের পর এক আঘাত করেন তিনি। এরপর জখম অভিনেতাকে ভর্তি করানো হয় মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *