নিজস্ব প্রতিবেদক ;
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। আগামী বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ও গণভোটের তারিখ নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশ নির্বাচনের ট্রেনে উঠে গেছে। ভোট নিয়ে যে অনিশ্চয়তা ছিল সেটা অনেকটা কেটে গেছে। এতে অন্যান্য পেশাজীবীদের মতো ব্যবসায়ীদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে। অর্থনীতি ও বিনিয়োগে যে স্থবিরতা বিরাজ করছে সেটা এই নির্বাচনের মাধ্যমে কেটে যাবে বলে আশা করছেন তারা। এজন্য নির্বাচন যেন যথাসময়ে হয় এবং সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ব্যবসায়ী মহল।
গত কয়েক মাস ধরেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনীতিতে অস্থিরতা বিরাজ করছিল। জামায়াতে ইসলামীসহ কয়েকটি দল পাঁচ দফা দাবিতে মাঠের কর্মসূচিও পালন করেছে। তবে শেষ দলগুলো মাঠের কর্মসূচি থেকে সরে এসে এবার নির্বাচনমুখী হচ্ছে। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে স্বস্তি বিরাজ করছে। তাদের প্রত্যাশা, সময়মতো নির্বাচন হলে স্থিতিশীলতা ফিরবে, যা অর্থনীতিকে নতুন করে প্রাণ দেবে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে, এটা আমাদের জন্য স্বস্তির খরব। তবে নির্বাচন ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয় সে ব্যাপারেও লক্ষ্য রাখতে হবে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সজাগ থাকতে হবে। নির্বাচন বানচালের যেকোনো ষড়যন্ত্র অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রুখে দিতে হবে।
ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা- আস্থার পরিবেশ তৈরি হবে
ব্যবসায়ীরা বলছেন, অনিশ্চয়তার মধ্যে একটা নির্বাচনের অপেক্ষায় ছিলেন তারা। কারণ, নতুন বিনিয়োগ এগোচ্ছিল না, বড় অর্ডারের সিদ্ধান্তও আটকে ছিল। তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে এখন সামনে একটি পরিষ্কার টাইমলাইন দেখা যাচ্ছে। এটি বাজারে আস্থা তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা।