পিপলস অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্টকে (পাশা) ১০ হাজারের বেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভোট দেখার অনুমোদন দিলেও সমালোচনার মুখে সে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে সংস্থাটি।
তবে সেই অনুমোদন বাতিলের পরও ইসির জনসংযোগ শাখা (পিআর) সংস্থাটিকে পর্যবেক্ষক কার্ড দেওয়ার তালিকায় রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
পর্যবেক্ষক কার্ড সংগ্রহের আবেদনের নিয়ম কানুন উল্লেখ করে এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, উপর্যুক্ত বিষয় ও সূত্রের প্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
এই নির্বাচনে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ নীতিমালা, ২০২৫ মেনে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধিত ৮১টি পর্যবেক্ষক সংস্থার কেন্দ্রীয়ভাবে ৭ হাজার ৯৯৭ সংখ্যক এবং স্থানীয়ভাবে সংসদীয় আসন ভিত্তিক ৪৭ হাজার ৪৫৭ সংখ্যকসহ সর্বমোট ৫৫ হাজার ৪৫৪ সংখ্যক পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
পর্যবেক্ষক পরিচয়পত্র ও গাড়ির স্টিকার ইস্যুর ক্ষেত্রে মাননীয় কমিশন নিম্নোক্ত নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
(ক) আবেদনের সঙ্গে ঊঙ-২, ঊঙ ৩ ফরম যথাযথ আছে কি না, তা যাচাই করতে হবে।
(খ) পর্যবেক্ষকদের জন্মতারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৫ বা তার পূর্বে হতে হবে।
(গ) শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রমাণক হিসেবে এসএসসি এবং এইচএসসি/ সমমানের সার্টিফিকেটের সত্যায়িত কপি জমা নিতে হবে;
(ঘ) প্রত্যেক পর্যবেক্ষক সংস্থার প্রধান তার প্রতিষ্ঠানের নিয়োগকৃত পর্যবেক্ষকদের রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই মর্মে প্রত্যয়ন প্রদান করবেন।
চিঠিতে উল্লেখিত নিয়ম কানুন মেনে পর্যবেক্ষকদের কার্ড দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বলা হয়েছে।
সম্প্রতি পিপলস এসোসিয়েশন ফর সোস্যাল এডভান্সমেন্ট (পাশা) একটি প্রতিষ্ঠানের ৪৩০ জন কেন্দ্রীয় এবং ১০ হাজার ১২৯ জন পর্যবেক্ষকদের অনুমিতে দেওয়া হয়েছিল। মোট ছিল ৫৫ হাজার ৪৫৪ সংখ্যক পর্যবেক্ষক।
এরপরই গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে সমালোচনার মুখে পর্যবেক্ষকদের নিবন্ধন স্থগিত করে ইসি, যা শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সরকার থেকে জানানো হয়। কিন্তু সে ১০ হাজার বাদ না দিয়েই একদিন পর ফের সংস্থাটিকেও কার্ড দেওয়ার নির্দেশনা পাঠানো হয় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের।