আরো উন্নতি তামিমের ফিটনেসে লাগবে

ক্রীড়া প্রতিবেদক :
ক্রিকেট থেকে লম্বা বিরতি শেষে ৭ মাস পর খেলতে নেমেছেন তামিম ইকবাল। জাতীয় ক্রিকেট লিগের টি-২০ সংস্করণে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার পর ফিটনেস নিয়ে তিনি সমালোচনার মুখে পড়েন। এরপর অবশ্য পুরনো ছন্দে ফেরেন সাবেক টাইগার অধিনায়ক।
চট্টগ্রামের হয়ে প্রথম ম্যাচে ১৩ রানে আউট হন তামিম। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে ৩৩ বলে ৬৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন এই ওপেনার। পরের ম্যাচে ২৯ বলে ২১ রান করে দলকে দশ উইকেটের জয় এনে দেন তামিম। চতুর্থ ম্যাচে ৫৪ বলে ৭টি চার ও ৬টি ছক্কায় ৯১ রানের বিধ্বংসী একটি ইনিংস খেলেন।

তামিমের এমন প্রত্যাবর্তনের আনন্দিত জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তবে জাতীয় দলে ফেরার আগে তিনি অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটারের ফিটনেসে আরো উন্নতি দেখতে চান।

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিজয় দিবসের প্রদর্শনী ম্যাচ মাঠে গড়িয়েছিল। খেলা শেষে তামিমকে নিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে লিপু কথা বলেন।

‘তামিম ইকবাল খেলা শুরু করেছেন এটা আশার খবর। আমার বিশ্বাস এটাও অতি দ্রুত অবহিত হবো যে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য সে অ্যাভেইলএবল থাকবে কিনা। যদি থাকে তাহলে সেটা দারুণ ব্যাপার হবে। তামিমকে আরও শাণিত হতে হবে, তার ফিটনেসকে আরও উন্নতি করতে হবে।’

‘যখন সে একটা জাতীয় দলে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করবে… অবশ্যই যে খেলোয়াড়টা এতদিন ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলছে সে জানে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে খেলার জন্য নিজেকে কীভাবে শাণিত করতে হয়। কীভাবে প্রস্তুত করতে হয়। কী ধরনের সহযোগিতা সে প্রত্যাশা করবে, বোর্ড অফার করবে এই সমস্ত ব্যাপারগুলো বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে আমি মনে করি না।’

আগের ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে তামিমের বিভিন্ন ব্যাপারে মতের অমিল থাকার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল। তবে সরকারের পালাবদলের পর নতুন বোর্ডে তার সঙ্গে কর্মকর্তারা আলোচনার রাস্তা রাখছেন বলেই জানালেন লিপু।

‘তামিমের বিষয়টা হচ্ছে কেউ যদি নিজেকে উইথড্রোর জায়গায় নিয়ে রাখে। এর আগে আপনি জানেন ভিন্ন একটা বোর্ড ছিল, সেখান মত পার্থক্য ছিল, অনেক ইস্যু ছিল। কিন্তু আমার বিশ্বাস নতুন বোর্ডের অধীনে একটা তো আশার আলো দেখাই যাচ্ছে তিনি ক্রিকেটের মাঠে ফিরে এসেছেন।’

‘প্রত্যাশা অনুযায়ী একটা বড় আসরের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে। এখানে আমরা তার সঙ্গে নিশ্চয় আলাপ করার মতো পর্যায়ে চলে গেছি। আমার বিশ্বাস সেটার জন্য বোর্ড এবং নির্বাচক দুই পক্ষের সমন্বিতভাবে বসে আলাপ করাটা সমাধানের রাস্তা বিস্তৃত করবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *