হারল রাজশাহী হাই স্কোরিং ম্যাচে

ক্রীড়া প্রতিবেদক
বাইশ গজে শতাধিক রানের জুটি গড়ে রাজশাহী বিভাগকে জয়ের দিকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন তাওহীদ হৃদয় ও মুশফিকুর রহিম। এক সময় জয়ের জন্য দলটির দরকার ছিল ১১ বলে ২২ রান । শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে সমীকরণ মেলাতে না পারায় ৪ রানের জয়ে মাঠ ছাড়ে চট্টগ্রাম বিভাগ।
সিলেট একাডেমি মাঠে মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা চট্টগ্রাম তোলে ৭ উইকেটে ১৯৮ রান। জবাবে রাজশাহীর ইনিংস ৭ উইকেটে ১৯৪ রানে থমকে যায়।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর উইকেট হারায় রাজশাহী। চোটের কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে না যাওয়া এই ব্যাটার ব্যক্তিগত ৪ রানে মো. ইরফান হোসেনের বলে বোল্ড হন। এরপর দলটি সাব্বির হোসেন (৮ বলে ১৩ রান) ও হাবিবুর রহমানের (২০ বলে ৩৯ রান) উইকেট হারায়।

দলীয় ৭৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর হৃদয়-মুশফিকের ১০২ রানের জুটিতে উত্তরবঙ্গের দলটি শক্ত অবস্থানে যায়। ১৯তম ওভারের দ্বিতীয় বলে লং অন দিয়ে ছক্কা মারতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে বসেন মুশফিক। ৪৬ রান করা অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন।

শেষ ওভারে জয়ের জন্য ১৩ রান প্রয়োজন ছিল রাজশাহীর। নাঈম হাসানের করা প্রথম বলে ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার লেগ দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মাহমুদুল হাসান জয়ের হাতে ধরা পড়েন হৃদয়। ক্রিজ ছাড়ার আগে ৫০ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন।

দ্বিতীয় বলে প্রীতম কুমার ছক্কা মারলে ও পরের ডেলিভারি হোয়াইড হওয়ায় সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ বলে ৬ রান। তৃতীয় বলে প্রীতম লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়েন। নিহাদ উজ জামান পরের বলে রান আউট হন। শেষ দুই বলে মাত্র এক রানের বেহি না আসায় নাটকীয় ম্যাচে জয় তুলে নেয় চট্টগ্রাম।

এর আগে চট্টগ্রামের হয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠেন মুমিনুল হক। ওপেনিংয়ে নামা এই বাঁহাতি ব্যাটার ৩৬ বলে ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রানের ইনিংস খেলেন। দ্বিতীয় উইকেটে শাহাদাৎ হোসেন দীপুর ব্যাটে আসে ১৫ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৫ রান।

ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২৯ বলে ৮ চার এবং এক ছক্কায় ৫৪ রানের ইনিংস খেলেন উইকেটরক্ষক ব্যাটার ইরফান শুক্কুর। শেষদিকে ১০ বলে ২ চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ২০ রানের ইনিংস খেলেন নাঈম হাসান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *