জাতীয় ঐক্যের প্রতীক’ ‘শহীদ জিয়া ছিলেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেছেন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদী দর্শনের প্রবক্তা ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক শহীদ জিয়াউর রহমান ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের দুটি ক্রান্তিলগ্নে শহীদ জিয়া ধুমকেতুর মতো আবির্ভূত হয়েছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমণের পর শহীদ জিয়া প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন। তিনি ছিলেন স্বাধীন বাংলার আলোর দিশারী। ঠিক তেমনি মুক্তিযুদ্ধের সকল চেতনাকে যখন হত্যা করে বাংলাদেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা হয় তখন সিপাহী জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আবারো কক্ষচ্যুত বাংলাদেশকে কক্ষপথে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
রোববার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ আয়োজিত বাজিতপুর আদালত প্রাঙ্গণে বটতলা মাঠে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, ধর্ম-বর্ণ জাতি নির্বিশেষে সকল নাগরিককে এক ছাতার নিচে আনার কালজয়ী দর্শন বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের ঐক্য, সংহতিকে সুসংহত করেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অখণ্ডতা প্রশ্নে আপোসহীন জিয়ার নেতৃত্বে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। দেশবিরোধী যন্ত্র কারীরা তাদের নীল নকশা বাস্তবায়নের কাঁটা ভেবে জিয়াকে নির্মমভাবে হত্যা করে। কিন্তু তার এই আত্মত্যাগে জনগণের মধ্যে গড়ে উঠে দেশবিরোধী চক্রান্তকারীদের বিরুদ্ধে এক ইস্পাত কঠিন গণঐক্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *