স্পোর্টস ডেস্ক :
এবারের বিপিএলে অপ্রতিরোধ্য দল ছিল রংপুর রাইডার্স, তবে তা টুর্নামেন্টের প্রথম আট ম্যাচ পর্যন্ত। গ্লোবাল সুপার লিগ জিতে আসা ফ্র্যাঞ্চাইজিটি মাঠে এবারের আসরের প্রথম আট ম্যাচেই পেয়েছে জয়। এক নম্বর দল হিসেবে সাবেক চ্যাম্পিয়নরা প্লে অফ নিশ্চিত করবে এমনটাই ধারণা করা হয়েছিল।
তবে লিগ পর্বের শেষ চার ম্যাচে এসে উল্টো চিত্র দেখেছে রংপুর। শেষ চার ম্যাচের সবকটিতেই হেরেছে রংপুর। ফলে ১ নম্বর স্থান তো হারাতে হয়েছেই, নিশ্চিত করতে পারেনি কোয়ালিফায়ারে খেলাও। তিন নম্বরে থাকায় এখন এলিমিনেটরে খেলতে হবে নুরুল হাসান সোহানদের।
টুর্নামেন্টের শুরুতে ভালো খেললেও এখন তাই অনেকটাই খাদের কিনারে দলটি। এলিমিনেটর ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে হারাতে না পারলে বিদায় নিতে হবে টুর্নামেন্ট থেকে। চ্যালেঞ্জটাও বেশি সোহানদের। এ ম্যাচের আগে অনুশীলনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি দলের অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান বলেন, ‘এখানে (সেরা দুইয়ে) থাকতে পারলে ভালো হতো। এখন তো আমাদের চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি। টপ টুতে থাকলে সুযোগ দুইটা থাকে। এখন পুরো নকআউটে চলে এসেছি। এটা আসলে ডু অর ডাই। দেখা যাক আগামীকাল কী হয়।’
তবে আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না মেহেদীরা। টাইগার এই অলরাউন্ডার বলেন, ‘বিশ্বাস তো সব সময় আছে। প্রত্যেক খেলোয়াড়ই বিশ্বাস নিয়ে যায় মাঠে। কিন্তু সব সময় দিন এক রকম যায় না। আমরা কোয়ালিফাই করতে পারিনি, কিন্তু এখনো আমাদের একটা সুযোগ আছে। সুযোগটা আমরা ইতিবাচকভাবে নিচ্ছি। আমার মনে হয়, দলে যারা আছে, সবাই ফুরফুরে মেজাজে আছে। কারণ, এ সময় দল হিসেবে যদি ভেঙে পড়ি, আমরা চারটা হেরেছি, তাহলে এখান থেকে বের হতে পারব না।’
সেই সঙ্গে মেহেদী আরও জানিয়েছেন, চ্যালেঞ্জিং এই সময়ে দলটির স্থানীয় ক্রিকেটারদের পারফর্ম্যান্সই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, ‘শেষ দুই বছর আমরা ৩ নম্বর হয়েছি, ফাইনালে উঠতে পারিনি। এ বছর আরও একটা সুযোগ আছে। গত দুই বছরের এটা (বাদ পড়া) ভাঙতে চাই এবার। আমরা ফাইনালে যেতে চাই। ফাইনালে যেতে হলে আগামীকালের ম্যাচটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের স্থানীয় যে সাতজন আছে, তাদের পারফরম্যান্সটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’